দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩১ শিশু। তবে এ সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া সাত শিশুর মৃত্যুর পর ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত এ ধরনের মৃত্যুর সংখ্যা আরও বেড়েছে। অন্যদিকে, নিশ্চিত হামেও এ সময়ে কোনো নতুন মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

হালনাগাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৫০ শিশুর শরীরে। আর হামের উপসর্গ নিয়ে শনাক্ত হয়েছে ৯৮১ শিশু। সব মিলিয়ে এক দিনে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩১ শিশু।

একই সময়ে নতুন করে ৯২৯ শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৯৭৪ শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে সোমবার পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৭৭৮। একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ১৭ হাজার ৯৩০ রোগীর শরীরে।

এ সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ১ লাখ ২৫ হাজার ৩৮৬ রোগী ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার ৯১৩ জন।

হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর পাশাপাশি নতুন রোগী শনাক্ত ও হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য খাতে উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে হাম ও হামসদৃশ উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। সাধারণত জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ লাল হওয়া এবং পরে শরীরে লালচে র‍্যাশ দেখা দিতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে রোগটি জটিল আকার ধারণ করলে নিউমোনিয়া, পানিশূন্যতা ও অন্যান্য গুরুতর সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই এসব উপসর্গ দেখা দিলে শিশুকে বাড়িতে রেখে অপেক্ষা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!

ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!