সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও আট শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নিশ্চিত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৭৯৮ জন। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৯০০ ছাড়িয়েছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আট শিশুর মৃত্যু হলেও নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮০৩ জনে। আর নিশ্চিত হাম আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৯৯ শিশু। সব মিলিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছে ৯০২ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৭০ শিশুর। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ৭২৮ জন। অর্থাৎ এক দিনে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৭৯৮ জন নতুন আক্রান্ত হয়েছে।
এই সময়ে ৭০০ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। বিপরীতে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৫৪৯ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৭৭৬ জন। একই সময়ে নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৭ হাজার ৮০০ জন।
এ ছাড়া হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এ পর্যন্ত মোট ১ লাখ ২৩ হাজার ৪৯৪ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৯ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে।
হাম একটি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। শিশুদের মধ্যে এর বিস্তার ঠেকাতে সময়মতো শনাক্তকরণ, চিকিৎসা এবং টিকাদানের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। কোনো শিশুর জ্বর, শরীরে র্যাশ, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া বা চোখ লাল হওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!