দেশব্যাপী সিএনজি ফিলিং স্টেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন মালিক সমিতি। সংগঠনটি জানিয়েছে, কমিশন বৃদ্ধির দাবি পূরণ না হলে আগামী ২৩ আগস্ট থেকে এ কর্মসূচি কার্যকর করা হবে।
সোমবার (২৭ জুলাই) এক ঘোষণায় এ কর্মসূচির কথা জানায় মালিক সমিতি। তবে চলমান গ্যাস সরবরাহ সংকটের কারণে আগামী ৩০ জুলাই প্রতীকীভাবে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখার যে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছিল, তা আপাতত প্রত্যাহার করা হয়েছে।
সংগঠনটির দাবি, বর্তমানে দেশের অনেক সিএনজি ফিলিং স্টেশনে পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ নেই। কোথাও কোথাও গ্যাসের চাপ একেবারেই নেই, আবার অনেক স্টেশনে চাপ নেমে এসেছে মাত্র ১ থেকে ২ পিএসআই-এ। এর ফলে স্বাভাবিকভাবে যানবাহনে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে এবং স্টেশন পরিচালনাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
মালিক সমিতির নেতারা বলছেন, গ্যাসের স্বল্পচাপের কারণে শুধু স্টেশন মালিকরাই নন, সিএনজিচালিত যানবাহনের চালক ও সাধারণ ব্যবহারকারীরাও চরম ভোগান্তির মুখে পড়ছেন। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও অনেক চালক প্রয়োজনীয় পরিমাণ গ্যাস সংগ্রহ করতে পারছেন না।
সংগঠনটির আশঙ্কা, বিদ্যমান গ্যাস সংকট আরও অন্তত এক সপ্তাহ অব্যাহত থাকতে পারে। এ পরিস্থিতিতে প্রতীকী কর্মসূচি পালন করলে জনভোগান্তি আরও বাড়তে পারে বিবেচনায় সেটি স্থগিত করা হয়েছে।
তবে কমিশন বৃদ্ধির দাবি নিয়ে তারা অনড় অবস্থানে রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে আগামী ২৩ আগস্ট থেকে দেশব্যাপী সব সিএনজি ফিলিং স্টেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হবে বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
এদিকে, সিএনজি স্টেশন বন্ধের ঘোষণা বাস্তবায়িত হলে দেশের পরিবহন খাতে এর বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ব্যক্তিগত গাড়ি ও গণপরিবহনের একটি বড় অংশ সিএনজির ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় সাধারণ যাত্রী ও পরিবহন খাতে ভোগান্তি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। কমিশন বৃদ্ধির দাবিতে মালিক সমিতির সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে কি না, সেটিও এখনো স্পষ্ট নয়।
সূত্র: বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন মালিক সমিতির বিজ্ঞপ্তি
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!