গণপরিবহনে ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থা চালু এবং বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, যাত্রী, চালক ও পরিবহনকর্মীদের পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করতে কার্যকর উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই।

সোমবার (২০ জুলাই) রাজধানীর বনানীতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এসব দাবি তুলে ধরা হয়। বিআরটিএর উদ্যোগে আয়োজিত এ সভায় সহযোগিতা করে ডেভেলপমেন্ট অ্যাক্টিভিটিস অব সোসাইটি (ডাস) এবং বাংলাদেশ তামাকবিরোধী জোট (বাটা)।

বিআরটিএর চেয়ারম্যান ও অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ হাবীবুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বিআরটিএর বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি), ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ), জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল (এনটিসিসি), ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান, পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠন এবং সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, সরকার ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে তামাকমুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তোলার যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, তা বাস্তবায়নে গণপরিবহন খাতে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাস, মিনিবাস, কোচসহ সব ধরনের গণপরিবহনে ধূমপান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ নিশ্চিত করা গেলে লাখো যাত্রী, চালক ও পরিবহনকর্মী পরোক্ষ ধূমপানের স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে সুরক্ষা পাবেন।

বক্তারা আরও বলেন, শুধুমাত্র আইন থাকলেই হবে না, সেটির বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থা, ডিজিটাল অভিযোগ গ্রহণ, সচেতনতামূলক প্রচার এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। পাশাপাশি পরিবহন মালিক, শ্রমিক এবং যাত্রীদেরও তামাকবিরোধী আইন সম্পর্কে সচেতন করতে হবে।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা মত দেন, গণপরিবহনে তামাকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি একটি স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ যাতায়াত ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এজন্য সরকারি সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান এবং পরিবহন খাতের অংশীজনদের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!

ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!