বাংলাদেশি চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও পরিচিত করে তোলার লক্ষ্যে আয়োজিত ‘নিউ ইয়র্ক বাংলা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ২০২৫’-এর গুডউইল অ্যাম্বাসেডর হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে ঢাকাই চলচ্চিত্রের প্রযোজক আরশাদ আদনানকে। আয়োজকদের আশা, তাঁর সম্পৃক্ততা উৎসবটির আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা ও বাংলা চলচ্চিত্রের বৈশ্বিক পরিচিতি আরও শক্তিশালী করবে।

আগামী ২ আগস্ট নিউ ইয়র্কের জ্যামাইকা পারফর্মিং আর্টস সেন্টারে বসছে নিউ ইয়র্ক বাংলা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ২০২৫-এর প্রথম আসর। বাংলা ভাষার চলচ্চিত্রকে বিশ্বদর্শকের সামনে তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত এই উৎসবের সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে আমেরিকান বাংলাদেশি প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন (এবিপিএ)।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের প্রচলিত নীতিমালা অনুসরণ করে উৎসবটি পরিচালিত হবে। এতে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, তথ্যচিত্র এবং পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র—এই তিন বিভাগে বাংলা ভাষার সিনেমা আহ্বান, বাছাই, প্রদর্শন এবং পুরস্কার প্রদান করা হবে।

আরশাদ আদনানের সাংস্কৃতিক যাত্রা শুরু হয়েছিল কবিতার প্রতি ভালোবাসা থেকে। পরবর্তীতে নাটক প্রযোজনা, অভিনয় এবং চলচ্চিত্র প্রযোজনার মাধ্যমে তিনি বিনোদন অঙ্গনে নিজের অবস্থান তৈরি করেন।

প্রায় এক দশক আগে একটি চলচ্চিত্রের শুটিংয়ের জন্য একই বিমানে ৪০ জনেরও বেশি শিল্পী ও কলাকুশলীকে কক্সবাজারে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। এরপর থেকে বড় পরিসরে চলচ্চিত্র প্রযোজনার জন্যও তিনি পরিচিতি পান।

ভার্সেটাইল মিডিয়া ব্যানারে তাঁর প্রযোজনায় নির্মিত ‘ইউটার্ন’ ও ‘সুলতানা বিবিয়ানা’ মুক্তির পর দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করে।

বিরতির পর ২০২৩ সালে তাঁর প্রযোজনায় নির্মাতা হিমেল আশরাফ পরিচালনা করেন ‘প্রিয়তমা’। মুক্তির পর সিনেমাটি বছরের অন্যতম ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রে পরিণত হয়। শুধু দেশেই নয়, বিদেশে বসবাসকারী বাংলা ভাষাভাষী দর্শকদের মধ্যেও ছবিটি ব্যাপক সাড়া ফেলে।

বিশেষ করে ‘ও প্রিয়তমা’ এবং ‘ঈশ্বর’ গান দুটি মুক্তির পরপরই দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। এর মধ্যে ‘ও প্রিয়তমা’ সাম্প্রতিক সময়ের বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম আলোচিত ও বহুল শ্রোতাপ্রিয় গানের তালিকায় স্থান করে নেয় এবং সিনেমাটির সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আয়োজকদের মতে, গুডউইল অ্যাম্বাসেডর হিসেবে আরশাদ আদনানের অন্তর্ভুক্তি নিউ ইয়র্ক বাংলা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল-এর আন্তর্জাতিক যোগাযোগ আরও সম্প্রসারণে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রশিল্পকে বৈশ্বিক দর্শকের কাছে তুলে ধরার ক্ষেত্রেও এটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন।

ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!

ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!