স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, স্বাস্থ্যসেবায় অনিয়ম, দুর্নীতি কিংবা দায়িত্বে অবহেলার সঙ্গে জড়িতদের শুধু বদলি করে দায় এড়ানো হবে না; অভিযোগ প্রমাণিত হলে চাকরিচ্যুতসহ কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জনগণের জন্য স্বাস্থ্যসেবা একটি মৌলিক অধিকার। তাই হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা সংশ্লিষ্ট যেকোনো প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি কিংবা অনিয়ম কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। রোগীদের ভোগান্তি সৃষ্টি করে বা সরকারি সেবাকে বাধাগ্রস্ত করে এমন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, অতীতে অনেক ক্ষেত্রে অনিয়মে জড়িত কর্মকর্তাদের শুধু এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বদলি করা হতো। এতে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হতো না। বর্তমান সরকার সেই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে চায়। তাই অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্ত্রী জানান, সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে সেবার মান বাড়াতে নিয়মিত তদারকি জোরদার করা হচ্ছে। চিকিৎসক, নার্স এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যারা নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন, তাঁদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে। তবে দুর্নীতি বা অনিয়মের সঙ্গে আপস করা হবে না।
তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যখাতে স্বচ্ছতা ও সুশাসন নিশ্চিত করতে ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা, পর্যবেক্ষণ এবং অভিযোগ গ্রহণের প্রক্রিয়াও আরও কার্যকর করা হচ্ছে। এতে রোগী ও সাধারণ মানুষ সহজেই অভিযোগ জানাতে পারবেন এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, কঠোর নজরদারি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গেলে দেশের স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে। একই সঙ্গে জনগণ সরকারি স্বাস্থ্যসেবার প্রতি আরও বেশি আস্থা ফিরে পাবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ℹ️ ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!