দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে আরও জনবান্ধব, স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিমূলক করতে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতি, অনিয়ম, অবহেলা কিংবা সেবার মানের সঙ্গে আপস করার কোনো সুযোগ নেই। সরকারের লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের জন্য একটি কার্যকর ও নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিক যেন মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পান, সে লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন ধরনের সংস্কারমূলক পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে। সরকারি হাসপাতালগুলোর সেবার মান উন্নয়ন, চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়গুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছেও সহজে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকার অবকাঠামো উন্নয়ন, জনবল বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। পাশাপাশি চিকিৎসকদের কর্মপরিবেশ উন্নয়ন এবং হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বাড়ানোর উদ্যোগও চলমান রয়েছে।
তিনি বলেন, একটি আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে শুধু সরকারের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষের সমন্বিত সহযোগিতাও প্রয়োজন। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই স্বাস্থ্যখাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে।
স্বাস্থ্যখাতে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতিকে জনসেবার মানোন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা গেলে চিকিৎসাসেবার প্রতি মানুষের আস্থা আরও বাড়বে এবং সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার দক্ষতাও উন্নত হবে।
আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!
ভিডিও আকারে কনটেন্ট নিয়মিত পেতে –ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন!